ভূয়া ডাক্তার চিহ্নিত করতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করছি !
ভুয়া ডাক্তার চিহ্নিত করতে সকল সরকারী বেসরকারী প্রাইভেট মেডিক্যাল পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের পাশ করার পর পেশাগত কাজে যোগদান কালে চিকিত্সারত অবস্থায় বেইস ব্যবহার করা উচিত,আর এ বেইস প্রদান করবেন প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ! মূলত: যেখান থেকে একজন ডাক্তার তার এমবিবিএস সনদ গ্রহন করে !
এ বেইসটি প্রত্যেক ডাক্তারকে কতব্যরত অবস্থায় তার হাতে বা কাদে পরিধান করা বাধ্যতামূলক থাকবে,আর এ সাইন বা বেইস দেখে নির্ণয় করা যাবে একজন ডাক্তারকে ।
একজন ডাক্তার তার নিজস্ব চেম্বার বা ক্লিনিকে বসুক অথবা কোনো হসপাতালে বসুক সেটা সমস্যা নয় !
সকল বেইস বা সাইনের কালার ডিজাইন সাইজ একই রকমের হবে ! এবং বেইসটির একমাত্র মালিক সরকার ,ব্যবহারকারী এবং সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ! যদি যেকোনো কারনে একজন ডাক্তার তার বেইস বা সাইন হারিয়ে ফেলে পরবর্তীতে থানাতে ডাইরি করে নতুন বেইসের জন্য তার সনদকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন বেইস সংগ্রহ করবেন এবং সাথে অবশ্যই থানার জিডির কপি দেখাতে হবে !
হারিয়ে যাওয়া বেইস কেউ পেয়ে যায় তাহলে বেইসের পেছনে ব্যবহারকারীর নাম ফোন নাম্বার দেয়া থাকবে ! তখন যে কেউ চিকিত্সা সেবায় প্রতারণা করতে পারে না !
এতে করে ভূয়া ডাক্তার চিহ্নিত করা সকলের জন্য খুবই সহজ হবে ! এতে প্রতারণা কমবে চিকিত্সার গুণগত মানও বাড়বে ! আজকাল সারা বাংলাদেশে যত্রতত্র ভূয়া চিকিত্সকের সংখ্যা আশংকাজনক হারে দেখা যাচ্ছে যদিও বেশীর ভাগ ভূয়া ডাক্তার পর্দার অন্তরালেই থেকে যাচ্ছে !
এ পদ্ধতি গ্রহন করলে সাধারণ মানুষ সুচিকিত্সা পাবে পাশাপাশি ভোগান্তি থেকে রেহাই পাবে এবং যারা প্রকৃত চিকিত্সক তারাও সুন্দরভাবে নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন !
যদি কোনো চিকিত্সক তার বেইস পরিধান না করে হাসপাতাল চেম্বার কিংবা ক্লিনিকে আসেন তাহলে রোগী তাকে ভূয়া ডাক্তার হিসেবে সাব্যস্ত করতে পারবেন ! ভূয়া ডাক্তার প্রতিরোধে সরকার চাইলে এ নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারে!
এ ব্যাপারে সরকার,সকল ডাক্তার ও সনদকৃত সকল মেডিক্যাল কলেজগুলোর প্রতি সবিনয় দৃষ্টি আর্কষন করছি !
(বি:দ্র: জনস্বার্থে চাইলে লেখাটি সকলেই শেয়ার করতে পারেন ! এতে সরকার ও কর্তৃপক্ষের সুনজরে আসবে । আমরা সাধারন শ্রেনী প্রতারণা থেকে রক্ষা পাবো )